তেজগাঁও

জ্ঞানীপিডিয়া থেকে


তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার ।

টেমপ্লেট:Infobox settlement তেজগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় অবস্থিত। প্রশাসন তেজগাঁও থানা গঠিত হয় ১৯৫৩ সালে। ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট থানাটি পুনর্গঠিত হয়।

জনসংখ্যা [সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

জনসংখ্যা ১১৮৫৪০; পুরুষ ৬৭৪৩৯, মহিলা ৫১১০১।

শিক্ষা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

গড় হার ৭৬.৫১%; পুরুষ ৮১.৭২%, মহিলা ৬৯.৮৩%।

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট (১৯৫৫), বিএএফ শাহীন কলেজ (১৯৬৩), হলিক্রস কলেজ (১৯৫০), সরকারি বিজ্ঞান কলেজ (১৯৫৪), তেজগাঁও কলেজ (১৯৬১), তেজগাঁও মহিলা কলেজ (১৯৭২), তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৫), হলিক্রস স্কুল (১৯৫৩), তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫৫), সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুল।

ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তেজগাঁও এর নামের উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হয় নাই। এই অঞ্চলে মুঘল আমল হতেই ইংরেজ ও পর্তুগিজ বণিকদের কুঠিবাড়ি স্থাপিত হয়েছিলো। সপ্তদশ শতকে পর্তুগিজদের হাতে এখানে স্থাপিত হয় একটি খ্রিস্টান ধর্মের উপাসনালয় বা গীর্জা। <ref name="muntasir.mamaun.smirit">মুনতাসীর মামুন, "ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী", ৩য় সংস্করণ, ৪র্থ মূদ্রণ, জানুয়ারি ২০০৪, অনন্যা প্রকাশনালয়, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৩১, আইএসবিএন ৯৮৪-৪১২-১০৪-৩।</ref>

অর্থনীতি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ০.৫৭%, অকৃষি শ্রমিক ০.৯১%, শিল্প ২.২৮%, ব্যবসা ২৬.০৬%, পরিবহন ও যোগাযোগ ৩.৯০%, চাকরি ৫০.১৯%, নির্মাণ ১.৬৪%, ধর্মীয় সেবা ০.০৮%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিট্যান্স ৩.২৭% এবং অন্যান্য ১১.১০%। মোট সড়ক ৩৪.৭১ কিমি।

কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৭০.৬০%, ভূমিহীন ২৯.৪০%।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ধান, পাট, ডাল, শাকসবজি।

শিল্প ও কলকারখানা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

পোশাক শিল্প, তেলকল, বরফকল, ওয়েল্ডিং কারখানা।

বাজার[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

শপিং সেন্টার, মেলা  বসুন্ধরা সিটি, ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, চৌরঙ্গী সুপার মার্কেট, ফার্মগেট ডিসিসি মার্কেট, কাওরান বাজার, তেজতুরী বাজার উল্লেখযোগ্য।

বিদ্যুৎ [সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ ব্যবহার এ থানার সবক’টি ওয়ার্ড বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ৯৭.৩৩% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরি ১, ক্লাব ৪, কমিউনিটি সেন্টার ৩, সিনেমা হল ৩। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

<references />