মোহাম্মদ মোদাব্বের

জ্ঞানীপিডিয়া থেকে
মোহাম্মদ মোদাব্বের
চিত্র:মোহাম্মদ মোদাব্বের.jpg
জন্ম(১৯০৮-১০-০৬)৬ অক্টোবর ১৯০৮
মৃত্যু২১ এপ্রিল ১৯৮৪(1984-04-21) (বয়স ৭৫)
পেশাসাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক
পুরস্কারবাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার
একুশে পদক

মোহাম্মদ মোদাব্বের (৬ অক্টোবর ১৯০৮ - ২১ এপ্রিল ১৯৮৪) হলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক। তিনি শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬৫ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন এবং সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

জন্ম[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মোদাব্বের ১৯০৮ সালের ৬ই অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাট মহকুমার হাড়োয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯২২ সালে স্যার আর.এন. মুখার্জী বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে পাস করেন।<ref name="কালের-কণ্ঠ-২০১৫">"ব্যক্তিত্ব - মোহাম্মদ মোদাব্বের"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ২১ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৯ </ref>

সাংবাদিকতা জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মোদাব্বের ১৯২৮ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও দৈনিক দ্য মুসলমান পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। ১৯৩৩ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ফরওয়ার্ড পত্রিকায় কাজ করেন। ১৯৩৫ সালে সাপ্তাহিক মোহাম্মাদী তে যোগদান করেন। এবং ১৯৩৬ সালে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় বার্তা সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৪৮ সালে দৈনিক ইত্তেহাদে যোগদান করেন। ১৯৪৯ সালের ১৫ই আগস্ট তিনি ঢাকায় নিজের সম্পাদনায় তিনি পাকিস্তান নামে একটি অর্ধ সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। এটি ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিলো। ১৯৫১ সালের ডিসেম্বরে দৈনিক মিল্লাত প্রকাশিত হলে তিনি তার প্রধান সম্পাদক নিযুক্ত হন। এছাড়া ১৯৫৮ সালে তিনি পাকিস্তান রেডক্রস পরিচালিত মাসিক জুনিয়র রেডক্রস পত্রিকার সম্পাদক নিযুক্ত হন। তিনি ছিলেন ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক মুকুলের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য।<ref name="কালের-কণ্ঠ-২০১৫"/>

মৃত্যু[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মোদাব্বের ১৯৮৪ সালের ২১শে এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।<ref>"আজ সাংবাদিক মোহাম্মদ মোদাব্বেরের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী :: দৈনিক ইত্তেফাক"দৈনিক ইত্তেফাক। ২১ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৯ </ref>

গ্রন্থ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

শিশুসাহিত্যঃ

  • হীরের ফুল(১৯৩০)
  • তাকডুমাডুম(১৯৩০)
  • মিসেস লতা সান্যাল ও আরও অনেকে(১৯৩৩)
  • কিসসা শুনো(১৯৫০)
  • গল্প শুনো(১৩৭১ বা)
  • ডানপিটের দল(১৯৬২)

ভ্রমণ কাহীনিঃ

  • জাপান ঘুরে এলাম(১৯৫৯)
  • প্রবাল দ্বীপে(১৯৬৪)

স্মৃতি কথাঃ

  • সাংবাদিকের রোজনামচা(১৯৭৭)

জীবনীঃ

  • আনলো যারা জীয়ন কাঠি(১৯৪৬)

সাধারণ জ্ঞানঃ

  • সন্ধানী আলো(১৯৪৩)

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  • ১৯৬৫ সালে শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমী পুরস্কার।
  • ১৯৭৯ সালে একুশে পদক।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

<references group=""></references>

টেমপ্লেট:শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার