সজনীকান্ত দাস

জ্ঞানীপিডিয়া থেকে
সজনীকান্ত দাস
জন্ম১৯০০ সালের ২৫ আগস্ট
মৃত্যু১৯৬২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি
পেশালেখক, সম্পাদক, কবি
জাতীয়তাভারতীয়

সজনীকান্ত দাস বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগের বাংলা সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় তার অবাধ বিচরণ ছিল। শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তার প্রধান পরিচিতি<ref>অন্য যারা শনিবারের চিঠি'র সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন তাঁরা হলেন যোগানন্দ দাস, নীরদ চৌধুরী, পরিমল গোস্বামী প্রমুখ।</ref> হিসাবে তীব্র অথচ হাস্যরসাত্মক সমালোচনার মাধ্যমে তিনি সমকালীন সাহিত্য কর্মকাণ্ডে বিশেষ প্রাণসঞ্চার করছিলেন। ১৯৪৬তে প্রকাশিত সজনীকান্ত বিরচিত "বাঙ্গালা গদ্যের প্রথম যুগ" বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম প্রধান সংযোজন।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

সজনীকান্ত দাস জন্ম ১৯০০ সালের ২৫ আগস্ট বর্ধমান জেলার বেতালবন গ্রামে।কোলকাতায় লেখাপড়া করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

‘প্রবাসী’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সেখানে চাকরিও নেন।

সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

শনিবারের চিঠি ছাড়াও তিনি বঙ্গশ্রী, শারদীয়া আনন্দবাজার পত্রিকা, অলকা, বঙ্গীয়-পরিষৎ-পত্রিকা প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। এছাড়াও চিত্রলেখা, বিজলী, যুগবাণী, নূতন পত্রিকা, যুগান্তর প্রভৃতি পত্রিকার প্রকাশনায় তার বড়ো ভূমিকা ছিলো। শনিবারের চিঠি’র জন্মলগ্ন থেকেই তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মাঝে মাঝে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে শনিবারের চিঠি’র সঙ্গেই সজনীকান্ত দাসের নাম ওতপ্রোত ; সজনীকান্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তিই শনিবারের চিঠি

কবি হিসাবে তিনি আধুনিক ছিলেন এ কথা বলা যাবে না। তার কবিতার চারটি পংক্তি নিম্নরূপ: অন্ধকার আবরণ বিদুরি বিজ্ঞন-শলাকায়
সুনিপূণ হস্ত যাঁর প্রকাশিল নব সূর্ষালোক---
লভি নয়নের জ্যোতি তার প্রতি নতি মোর ধায়,
অবারিত দৃষ্টি মোর দিনে দিনে দূরগামী হোক |

প্রকাশনা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ষাটের অধিক। সজনীকান্তের কবিতাগ্রন্থ এগারোটি । এগুলো হলেো:

  • পথ চলতে ঘাসের ফুল (১৯২৯),
  • বঙ্গরণভূমে (১৯৩১?),
  • মনোদর্পণ (১৯৩১?),
  • অঙ্গুষ্ঠ (১৯৩১?),
  • রাজহংস (১৯৩৫),
  • আলো-আঁধারি (১৯৩৬),
  • কেডস ও স্যান্ডাল (১৯৪০),
  • পঁচিশে বৈশাখ (১৯৪২),
  • মানস-সরোবর (১৯৪২),
  • ভাব ও ছন্দ (১৯৫২) এবং
  • পান্থ-পাদপ (১৯৬০)।

পুরস্কার[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

<references group=""></references>

<references/>

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]